সাতক্ষীরায় লবণাক্ত জমিতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত লবণাক্ত সহিষ্ণু বারি-৭২ জাতের আলুর বীজ কৃষক পর্যায়ে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক রোপণ করে সফলতা পাওয়া গেছে।
এ জাতের আলু চাষ করে হেক্টরপ্রতি প্রায় ৪০ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে। সাধারণ জাতের আলুর চেয়ে ফলন হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। রোপণের ৯০ দিনের মধ্যে বারি-৭২ জাতের এ আলু উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে।
আলু গবেষক সাজ্জাদুল ইসলাম জানান, নতুন উদ্ভাবিত বারি-৭২ জাতের আলু উচ্চ ফলনশীল ও লবণাক্ত সহিষ্ণু। ১০-১২ ডিএস পার মিটার লবণাক্ত জমিতে এই আলু চাষ করা সম্ভব। এ বছর দেশের ৮০ জন কৃষকের মধ্যে এ জাতের বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা জেলায় ২০ জন কৃষককে দেওয়া হয়েছে এই বীজ। সব জমিতেই বাম্পার ফলন হয়েছে। এই জাতের আলু দেখতে লালচে ও খেতে সুস্বাদু। ফলে বাজারে এর চাহিদা অন্য আলুর চেয়ে অনেক বেশি।

২০১৬ সালে বারি-৭২ জাতের আলুর বীজ কৃষক পর্যায়ে অবমুক্ত করা হয়। জাতটি উচ্চ ফলনশীল, তাপ ও লবণাক্ত সহিষ্ণু। জাতটি উদ্ভাবনে ইউএসএআইডি আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক আলু গবেষণা কেন্দ্র (সিআইপি) ও কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ যৌথভাবে উদ্ভাবন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। জাতটি উদ্ভাবনের ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে আলু চাষ ব্যাপকভাবে করা সম্ভব হবে।

(সূত্রঃ প্রথম আলো)

  • জীবনকালঃ

    ৯০-৯৫ দিন দিন

  • উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টরঃ

    ২১.৮৫ টন কেজি

    জাত এর বৈশিষ্টঃ

    1. ১। গাছ মধ্যম উচ্চতা সম্পন্ন ও ইনটারমিডিয়েট টাইপ।
    2. ২। কান্ড সবুজ-বেগুনী এবং এন্থোসায়ানিন এর বিস্তৃতি খুব বেশি। মধ্য শিরায় এন্থোসায়ানিন এর বিস্তৃতি কম।
    3. ৩। পাতা গাঢ় সবুজ এবং মাঝারি আকারের।
    4. ৪। মধ্য শিরায় ও কচিপত্রফলকের কিনারায় এন্থোসায়ানিন এর বিস্তৃতি নেই।
    5. ৫। আলু খাট ডিম্বাকৃতি এবং মাঝারি থেকে বড় আকারের। আলুর রং লাল, চামড়া মসৃন।
    6. ৬। আলুর শাসের রং হলুদ। চোখ অগভীর।

    চাষাবাদ পদ্ধতিঃ

    1. চাষের সময় ও সার প্রয়োগ পদ্ধতি:
    2. উপযোগী এলাকা : সমগ্র বাংলাদেশ (বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের জন্য বেশি উপযোগী)।
    3. বপনের সময় : মধ্য-কার্তিক থেকে মধ্য-অগ্রহায়ণ (নভেম্বর) মাসে আলু লাগানোর উপযুক্ত সময়। এ জাতটি তাপ সহনশীল বিধায় প্রায় এক মাস দেরীতে চাষ করলেও ভাল ফলন পাওয়া যায়।
    4. মাড়াইয়ের সময়: ৮৫-৯০ দিন পর ।                              
    5. অমস্নীয় বেলে মাটির জন্য ৮০-১০০ কেজি/হেক্টর ম্যাগনেসিয়াম সালফেট এবং বেলে মাটির জন্য বোরন ৮-১০ কেজি/হেক্টর প্রয়োগ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।
    6. Source: http://krishi.gov.bd/variety/993







    উত্তর সমূহ

    1. মোঃ আনিসুজ্জামান খান,অতিরিক্ত কৃষি অফিসার

      তথ্য বহুল ও সুন্দর লেখা।

    2. মোঃ ওবায়েদুল হক রেজা,কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার

      An Informative and tidy writing. keep it up.